সর্বশেষ সংবাদ :

শুক্রবারের মধ্যে চামড়ার দাম নির্ধারণের নির্দেশ

Share Button

ট্যানারি ব্যবসায়ীরা আপত্তি তুললেও আগামী শুক্রবারের মধ্যে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

তিনি জানিয়েছেন, ঈদের পর ৩০ দিন যাতে চামড়া পাচার না হয় সে ব্যাপারেও সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে চামড়া ও মাংস ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই নির্দেশনার কথা বলেন।
leather
ব্যবসায়ীদের তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমরা সরকার থেকে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করতে চাই না। জনগণ যাতে উপযুক্ত মূল্য পায়, আপনাদেরও (ব্যবসায়ী) যাতে সুবিধা হয় সেদিকে খেয়াল রেখে মূল্য নির্ধারণ করবেন।’

চামড়া সংগ্রহের মূল্য নির্ধারণ হলে আগামী শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে তা সবাইকে জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ঈদের পর অন্তত ৩০ দিন যাতে সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচার না হতে পারে সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিজিবি ও পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

গত বছর সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়া কেনেন ৮৫-৯০ টাকায়। আর ঢাকার বাইরে তা কেনা হয় ৭৫-৮০ টাকায়।

সারা দেশে প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়ার দাম গত বছর ছিল ৫০-৫৫ টাকা। বকরির চামড়া ৪০-৪৫ টাকা এবং মহিষের চামড়া ৪০-৪৫ টাকায় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।

চামড়ার মূল্য বেঁধে না দেয়ার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ বৈঠকে বলেন, ‘আগে চামড়ার ব্যবসায় প্রণোদনা ছিল, এই প্রণোদনা তুলে নেয়ায় ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শঙ্কিত আগামীতে আরো দাম কমবে কি না। এ কারণে আমরা আন্তর্জাতিক মূল্যের ওপর ভিত্তি করে চামড়া কিনব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

ব্যবসায়ীদের এ দাবিতে সাড়া না দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই চামড়ার দাম নির্ধারণ করে সবাইকে জানিয়ে দিতে হবে। শুক্রবারের মধ্যে চামড়ার দাম নির্ধারণ করে তা মোবাইলে এসএমএস করে মাঠ পর্যায়ের ক্রেতাদেরও জানিয়ে দিতে বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, কোরবানির চামড়া বিক্রির টাকা এতিমখানাসহ গরিব মানুষকে দেয়া হয়। এজন্য চামড়ার ন্যায্য মূল্য মানুষ যাতে পায় সেদিকে ব্যবসায়ীদের খেয়াল রাখতে হবে।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs