সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিতে বাংলাদেশ-ভারত কাজ করছে: ডেপুটি স্পিকার

Share Button

রিপোর্টার:-দৈনিক মুক্তকন্ঠ,
০৮ ডিসেম্বর. ২০২২। সময :০৮.০০.PM.

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের ১ কোটি শরণার্থীর জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছিল, যা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বিরল দৃষ্টান্ত। মিত্রবাহিনী আমাদের জন্য রক্ত দিয়েছে, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কটা একটি বিশেষ কিছু। তাদের এ অবদানকে আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। এ সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে দুই দেশের সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা গ্যালারিতে মৈত্রী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘মিট দ্য সোসাইটি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ডেপুটি স্পিকার। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বক্তব্য রাখেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং বিশ্ব পরিস্থিতির সার্বিক বিবেচনায় ৬ ডিসেম্বর ভারতের লোকসভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে তার সরকারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি বিবৃতি দেন। লোকসভায় সর্বসম্মতিক্রমে ভারত সরকারের ওই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে এই স্বীকৃতির ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে সরাসরি সমর্থন ও সহযোগিতা করা ভারতের জন্য অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

মো. শামসুল হক টুকু বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শৈশবকাল থেকে, বিশেষ করে ছাত্রজীবন থেকে কলকাতায় বসবাস করতেন। তিনি জীবনভর অসাম্প্রদায়িক চিন্তা ভাবনায় লালিত পালিত। পারিবারিকভাবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যখন ছিলেন তখন অসাম্প্রদায়িকতাই চর্চা করতেন। ভারতের সঙ্গে আমাদের সংস্কৃতি, পরিবেশ, শিক্ষা, ও সাহিত্যসহ নানাদিকেই সম্পর্ক ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহবায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে এবং সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ড. মামুন আল মাহতাবের সঞ্চালনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুনুর রশিদ, রবীন্দ্র ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য পবিত্র সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুছা সাদিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক কামরুল হাসান খান, অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়া, ব্যারিস্টার তানিয়া আমির অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।