বিএনপির সাত এমপির পদত্যাগের বিষয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

Share Button

রিপোর্টার:-দৈনিক মুক্তকন্ঠ,
১০ ডিসেম্বর. ২০২২। সময :০৮.০০.PM.

বিএনপির সাত সংসদ সদস্য পদত্যাগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনাদের সাতজন গেলে জাতীয় সংসদ অচল হয়ে পড়বে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। এই ভুলের জন্য বিএনপিকে অনুতাপ করতে হবে। আমরা তাদের তাড়িয়ে দিইনি।

শনিবার সাভারের রেডিও কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির কার্যালয় থেকে ১৬০ বস্তা চাল পাওয়া, হাড়ি-পাতিল, মশারির কয়েল- এগুলো দিয়ে তারা পিকনিক পার্টি শুরু করতে চেয়েছিল। এমনকি তারা এর আগের সমাবেশেও এই কাজ করেছে, কোথা থেকে এই টাকা আসে? কোথা থেকে আসে এত টাকা, কোন ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এত টাকা দিয়েছে আমরা সবই জানি। সময়মতো প্রকাশ করা হবে।

বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা কারো ব্যাপারে নাক গলাই না। আমাদের ব্যাপারে মাথা ঘামানো হয় কেন? আমাদের বিদেশি বন্ধুরা ইতোমধ্যে অনেকটাই বুঝতে পেরেছে। বিএনপি বিদেশি দূতাবাসে গিয়ে নালিশ করে। এর জন্য বিএনপির নাম বাংলাদেশ নালিশবাদী।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিজয়ের মাসে পরাজিত হবে একাত্তরের পরাজিত শক্তি এবং তাদের বিশ্বস্ত ঠিকানা বিএনপি। আন্দোলনে বিএনপিকে পরাজিত করব এবং আগামী নির্বাচনেও পরাজিত করা হবে।

তিনি বলেন, এই পদ্মা সেতু হওয়ায় বিএনপির মনে অনেক ব্যথা। আবার মেট্রোরেল হয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশে শতভাগ বিদুৎ, বিশ্ব সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এসব কারণে বিএনপি ঈর্ষানিত হচ্ছে।

এ সময় ভোট চুরির বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অর্থপাচারের বিরুদ্ধে খেলা হবে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, মানুষ অনেক কষ্টে আছে, আমরা একটু বিপদে আছি। বিশ্ব সংকট, তবুও ভয় পাইনি আমরা। দশ তারিখ তো চলে গেল কোথায় বিএনপির নেতারা। বেগম জিয়া তো ক্ষমতা দখল করতে পারল না, উনি যেখানে ছিল সেখানেই আছে। তারেক জিয়া তো মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে গিয়েছে। দেখতে দেখতে ১৫ বছর চলে গেল। তারেক রহমান আসবে কোন বছরে?

সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা দৌলার সভাপতিত্বে জনসভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বক্তব্য দেন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী এনামুর রহমান জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।