সর্বশেষ সংবাদ :

হোমনায় ভুমি দখলবাজ সিন্ডিকেট কর্তৃক সরকারী খাল দখলের অভিযোগ।

Share Button

10593102_1450301091911888_5202542864120830025_n

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
কুমিল্লার হোমনায় এক শ্রেনীর ভুমি দখরবাজ সিন্ডিকেট কর্তৃক সরকারী খাল ভরাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে । এতে শ্রীমদ্দি, লটিয়া, গোয়ারী ভাঙ্গ দ্বাড়িাও,ভংগারচর, বিজয়নগর সহ ৭ গ্রামের প্রায় ১ হাজার একর ফসলী জমি স্থায়ী জলাব্দতার কবলে পড়ার আশংকা দেখাদিয়েছে । এনিয়ে সাধারন মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে ।এনিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে । দখলবাজরা এলাকার চিহিৃত প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না ।
সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে , এলাকার চিহিৃত ভুমি দখলবাজ হিসেবে খ্যাত আনোয়ার হোসেন ধন মিয়া,আসাদ মিয়া,আঃ মান্নান, শহীদ মিয়া, হামিদ মিয়া প্রভাব খাটিয়ে মাথাভাঙ্গ ইউনিয়নের দ্বাড়িগাও মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের ১ নং দাগের সরকারী খাল ব্যাক্তি মালিকানায় ভরাট করে জমির পানি নিস্কাশন বন্ধকরে ফেলে। পরে এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৭/৯/১৪ তারিখে সহকারী ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন আনোয়ার হোসেন ও আসাদ মিয়ার নাম উল্লেখ করে এসিল্যান্ডের দ্বায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করেন । কিন্তু রহস্যজনক কারনে এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হযনি। তারা বহাল তবিয়তে রয়েছে । এদিকে এ প্রভাবশালী মহল এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে একাধিক ব্যাক্তি অভিযোগ করেছে ।
জানা গেছে, সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় বন্দোবস্ত নিলেও জনগনের ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ সেখানে করা যায় না । এ ক্ষেত্রে তারা এ খাল সরকারী ভাবে কোন লিজও নেয়নি ।
উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নের দ্বাড়িাও মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের ১ নম্বর দাগে অবৈধভাবে বালু ভরাট করে জলাবব্দতা সৃষ্টিকরায় তাদের কে মৌখিক ভাবে বাধা দেওয়া সত্বেও তারা খালে মাটি ভরাট করছে মর্মে ১৭/৯/১৪ তারিখ সহকারী ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা একটি অভিযোগ হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে প্রেরন করেন । তিনি (ইউএনও) সরজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদ দেয়ার জন্য সার্ভেয়ারকে দ্বায়িত্ব দেন । কিন্ত এখন পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। ফলে পরবর্তী পদক্ষে গ্রহন করা সম্ভব হচ্ছে না ।
এ ব্যাপারে আনোয়ার হোসেন ধনমিয়ার নিকট জানতে চাইলে মোবাইলে তিনি বলেন, আমার জায়গায় মাটি ভরাট করার সময় সরকারী খালে সামান্য মাটি পড়েছে । আমি নীজ দ্বায়িত্বে খাল থেকে মাটি সরিয়ে নিয়ে আসব । তিনি আরো বলেন আমাদের মাটিভরাটে এলাকায় জলাব্দতা সৃষ্টি হয়নি ।এক বছর আগেই গোয়ারী ভাঙ্গা গ্রামের ব্রীজের জায়গা ব্যক্তি মালিকানায় ভরাট করা হয়েছে । এছাড়া মাটি ভরাট করার সাথে ৫ জন জড়িত থাকলেও নায়েব প্রতিবেদন দিয়েছে দু’জনের বিরুদ্ধে ।
মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, সরকারী খালে মাটি ভরাট করলে স্থায়ী জলাব্দতা সৃষ্টি হবে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিয়েছি । তারা এসে ‘ইউএনও স্যারের নিকট লিখিত দিয়ে গেছে,তারা মাটি ভরাট করবে না। এবং খালের উপর যে মাটি আছে তা নীজ দ্বায়িত্বে সরিয়ে ফেলবে ।
ইউএনও আহমেদ জামিল বলেন, আমি সহকারী ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তার প্রতিবেদন পেয়েছি । এবং সার্ভেয়ারকে সরজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেই ।
উপজেলা সার্ভেয়ার আবদুর রহমান বলেন, আমি নির্দেশ পেয়েছি স্থানে অনেক পানি তাই প্রতিবেদন দিতে বিলম্ব হচ্ছে ।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs