সর্বশেষ সংবাদ :

ট্রেনের শিডিউল লণ্ডভণ্ড : সড়কপথে ভয়াবহ যানজট ঘরমুখো মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি

Share Button
10626515_10153264563098975_3102679889683646190_n
রিপোর্টারঃ-মোঃ সফিকুর রহমান সেলিম,ঢাকা
০৫ অক্টোবর ২০১৪
আগামীকাল সোমবার পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রিয়জনের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ মুহূর্তে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। গতকাল শনিবার ঢাকার রাস্তাঘাটে যানজট না থাকলেও বাস টার্মিনাল, স্টেশন ও লঞ্চঘাটে ছিল উপচেপড়া ভিড়। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়ে বাড়ি ফেরা যাত্রীরা। তবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বাসে বাড়তি ভাড়া গুনে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের। সঠিক সময়ে বাস-ট্রেন-লঞ্চ না আসা এবং চিরচেনা যানজটে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার মধ্যেও যাত্রীদের চোখেমুখে ছিল ঈদের আনন্দ। মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতে বসে থেকে ত্যক্ত-বিরক্ত যাত্রী ও পরিবহন চালকেরা যানজটের জন্য সড়ক ব্যবস্থাপনায় গাফিলতিকে দায়ী করছেন।
ঈদ ও পূজার ছুটি শুরু হওয়ায় মূলত গত বৃহস্পতিবার থেকে কর্মস্থল ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাত্রা শুরু করে রাজধানী ঢাকাসহ শহরের মানুষেরা। এ ঘরমুখো যাত্রা পূর্ণতা পায় শুক্রবার। এ দিন সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়ে যায়। অবশিষ্টরা শহর ছাড়তে শুরু করে গতকাল সকাল থেকে। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ রাজধানী ছেড়ে গেছেন। তবে যানজট, শিডিউল বিপর্যয়, ভাঙাচোরা রাস্তা, গণপরিবহন সঙ্কটের কারণে স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার ছিল না উপায়। গতকাল রাজধানীর সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান, মহাখালী ও গাবতলী বাস টার্মিনাল, সদরঘাট, রেলওয়ের কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। গণপরিবহন সঙ্কট থাকায় দীর্ঘ যাত্রাপথে ঝুঁকি নিতেও দ্বিধা করেননি অনেকেই। শেষ মুহূর্তের বাড়ি যাত্রায় রেল, বাস ও লঞ্চে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ট্রেনের বগিতে জায়গা না পেয়ে ছাদে ওঠার প্রাণান্তকর চেষ্টা দেখা গেছে। মাইকে সতর্কতা বাণী উপেক্ষা করে লঞ্চে বোঝাই হয়েছেন অতিরিক্ত যাত্রী। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া সব লঞ্চের ছাদে ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের যেতে দেখা গেছে। এতে অনেকটাই ফাঁকা হয়ে পড়েছে রাজধানীর রাস্তাগুলো। বরাবরের মতো বাস ও ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় গতকালও অব্যাহত ছিল। বেশির ভাগ ট্রেন নির্ধারিত সময়ের দুই থেকে আট ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে। তবে লঞ্চ ও বাস টার্মিনালগুলোতে এখনো যাত্রীদের বেশ চাপ রয়েছে। সময় গড়ানোর সাথে সাথে টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের এ চাপও কমে যাচ্ছে। ঈদ আনন্দ যাত্রায় পথের বিড়ম্বনায় মহাসড়কে আটকা পড়ে থাকতে হয়েছে ঘরমুখো মানুষকে। ভোর থেকে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে প্রতিটি মহাসড়কে। গাজীপুরের চন্দ্রাসহ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট ছিল। তুলনামূলক ভালো থাকা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও যানজটে থেমে থেমে চলেছে গাড়ি। মাওয়া-কাওরাকান্দি এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি পারাপারে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে যাত্রীদের। লঞ্চগুলোতেও অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ দিকে বাস, লঞ্চ ও ট্রেন স্টেশনগুলোতে পকেটমার, ছিঁচকে চোর, হকার ও ভবঘুরেদের উপদ্রব দেখা গেছে। ঈদ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হলেও অনেক যাত্রী মোবাইল, মানিব্যাগ, ব্যাগ-লাগেজ খুইয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এ ছাড়া বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রবণতাও দেখা গেছে।
 ট্রেনের শিডিউল লণ্ডভণ্ড : ট্রেনের মারাত্মক শিডিউল বিপর্যয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ঘরমুখো যাত্রীরা। গতকাল সকাল থেকে একটি ট্রেনও নির্ধারিত সময়ে স্টেশন ছাড়তে পারেনি। ঢাকা থেকে বিভিন্ন ট্রেন নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা পরে ছেড়েছে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীগামী ধূমকেতু সকাল ৬টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও তা ছেড়েছে সকাল ৯টায়। সকাল ৬টা ২০ মিনিটের খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছেড়েছে ৯টা ২০ মিনিটে। লালমনিরহাটগামী-রংপুর এক্সপ্রেস সকাল সাড়ে ৮টায় ছাড়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি ২টা ৪০ মিনিটেও কমলাপুর পৌঁছেনি। চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও তা সাড়ে ১০টায় ছেড়েছে। সকাল ১০টার দিনাজপুরগামী একতা এক্সপ্রেস কমলাপুর ত্যাগ করেছে ২টায়। সকাল ৬টার ঢাকা-দিনাজপুর রুটে চলাচলকারী দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছেড়েছে সাড়ে ৯টায়। কমলাপুর স্টেশনের তথ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়, যাত্রীদের ওঠানামায় বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন থামছে। এতে সময় বেশি লাগছে। শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে রাতের অন্যান্য ট্রেনও নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে স্টেশন ছেড়ে যায়।
শিডিউল বিপর্যয়ের জন্য বিএনপিকে দায়ী করলেন রেলমন্ত্রী : ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের জন্য বিএনপিকে দায়ী করলেন রেলমন্ত্রী মো: মুজিবুল হক। গতকাল দুপুরে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিডিউল বিপর্যয় সব সময় হয় না, মাঝে মধ্যে হয়। এর জন্য দায়ী বিএনপি এবং খালেদা জিয়া। তাদের আমলে জরাজীর্ণ রেলপথের কোনো উন্নয়ন না হওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় ট্রেনের গতি কমাতে হচ্ছে। এতে নির্ধারিত সময় ট্রেন ছাড়া সম্ভব হচ্ছে না এবং ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাতেও পারছে না।
তিনি বলেন, মতায় থাকাকালীন সময়ে রেল সেক্টরে খালেদা জিয়া এবং বিএনপি কোনো কাজই করেনি। আমাদের সময় যেন যাত্রীরা নির্বিঘেœ গন্তব্যে পৌঁছে স্বজনদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারে সে ল্েয বিএনপির সময় যেসব কাজ হয়নি আমরা সে কাজগুলো করছি। বর্তমান সরকার জীর্ণ রেলপথ উন্নয়নের পাশাপাশি স্টেশনগুলোও মেরামত করছে। শিডিউল বিপর্যয়ের আরেকটি কারণ হলো বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা।
বাসের জন্য অপেক্ষা : গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে, ব্যাগ-লাগেজ নিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন ঘরমুখী মানুষ। কাক্সিত বাসটি কাউন্টারে এলেই দৌড়ে গিয়ে বাসে উঠছেন তারা। রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গ-দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার বাস ছেড়ে যায়। এ টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে, টার্মিনাল ভবন যাত্রীতে ভরপুর। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে অপেক্ষমাণ যাত্রীরা জানালেন, কাউন্টারে এসেই টিকিট কেটেছেন তারা। সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। তবে মহাসড়কে যানজট থাকার খবরে সবার মধ্যেই ছিল অস্বস্তির ছাপ। টার্মিনালের পূর্বপাশে ও যাত্রাবাড়ীতে রয়েছে বেশ কিছু নামীদামি বেসরকারি পরিবহনের কাউন্টার। সেখানকার ম্যানেজার ও বাস চালকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মহাসড়কে যানজট তীব্র। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা যাতায়াত করে থাকেন। এ টার্মিনালের পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, সকাল থেকে কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার ও সিলেটের যাত্রীদের যাতায়াত ছিল বেশি। মহাখালী বাস টার্মিনালে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের জন্য বিশাল কক্ষ রয়েছে। সারা বছর এ কক্ষটি ফাঁকা থাকলেও গতকাল বসার একটি আসনও খালি ছিল না। সবার অপেক্ষা কাক্সিত বাসের জন্য। যাত্রীরা জানালেন, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক-আধঘণ্টা বিলম্বে ছাড়ছে বাসগুলো। এই বাস টার্মিনালটি থেকে দল বেঁধে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে যায় রাজধানীবাসীর একটি বড় অংশ।
নৌ-পথের চিত্র : ঈদে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন বন্ধে নদী বন্দরে (সদরঘাট) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। পাশাপাশি ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ ও সমুদ্র পরিবহন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। প্রশাসনের এসব কর্মকর্তার সামনেই গতকাল লঞ্চের ছাদে বোঝাই যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে ছেড়ে গেছে প্রায় সবকটি লঞ্চ। বহন করেছে ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি যাত্রী।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক মো: জয়নাল আবেদিন জানান, অতিরিক্ত যাত্রী বহন রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। তারা বিষয়টি দেখভাল করছেন। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে রওনা হওয়া কয়েকটি লঞ্চ আটক করে যাত্রী কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদেরও সতর্ক হওয়া উচিত। তিনি বলেন, শনিবার দেশের ৪১ রুটে শতাধিক লঞ্চ ছেড়ে গেছে। যাত্রী ভরে গেলেই নির্ধারিত সময়ের আগেই ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সদরঘাটে সকাল থেকে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। সুন্দরবন, দ্বীপরাজ, সুরভী, কীর্তনখোলাসহ প্রতিটি লঞ্চের ছাদে যাত্রী উঠতে দেখা গেছে। কেবিনের যাত্রী বাদে সবাই পাটাতনে (ডেক) বিছানা পেতে নিজের আসন করেছেন। পাটাতনে যাদের স্থান হয়নি তারা লঞ্চের ছাদ ও করিডোরে হাঁটার স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। এসব যাত্রীর মধ্যে অনেক বয়স্ক, নারী ও শিশু ছিল। দিনে প্রচণ্ড রোদ থাকায় যাত্রীরা বিছানার চাদর, শাড়ি ও কাঁথা টানিয়ে রোদ্রের তাপ থেকে নিজেদের রক্ষার চেষ্টা চালিয়েছেন।
তীব্র যানজটে মাওয়ায় ভয়াবহ দুর্ভোগ : লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) থেকে সংবাদদাতা গোলাম মঞ্জুরে মাওলা অপু জানিয়েছেন, মাওয়া চৌরাস্তায় অনেক আগে থেকেই গাড়ি ঘুরিয়ে দেয়া হচ্ছে। মহাসড়ক ছেড়ে বালুর রাস্তায় দীর্ঘ দুই-তিন মাইল হেঁটে মাওয়া ঘাট আসতে হচ্ছে। ঘাটে এসে আবার ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে লঞ্চের ভিড় ঠেলে লঞ্চে উঠতে হয় যাত্রীদের। এর আগে গুলিস্তানেও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের। প্রিয়জনের সাথে ঈদ করতে নাড়ির টানে ছুটছেন ঘরমুখো মানুষ।
তিনি জানান, ঈদুল আজহার আর মাত্র এক দিন বাকি থাকলেও দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশদ্বার মাওয়া ফেরিঘাটে রাজধানী ছেড়ে আসা ঘরমুখো মানুষের ঢল কমছে না। গতকালও এখানে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে যাত্রীদের। শেষ বিকেলেও এসব যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অব্যাহত ছিল মাওয়া ঘাটে। ঘরে ফেরার প্রতিযোগিতা আর যানজটে মহাসড়কে ছিল না যাত্রীদের হাঁটার জায়গা। উপচে পড়া ভিড়ের কারণে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মাওয়া ঘাট ও মাওয়া চৌরাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় বিপুল যাত্রীকে।
পদ্মা পার হওয়ার আগে ও পরে গলাকাটা বাড়তি ভাড়া গুনেছেন এসব যাত্রী। তবে আগের দিনের মতোই ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা দেয়। মাওয়া বাজার থেকে প্রায় দুই-তিন কিলোমিটার লম্বা লাইন তৈরি হতে থাকে। বেলা ২টা পর্যন্ত এ চাপ অব্যাহত ছিল। ঈদ উপলে মাওয়া ফেরি বহরে তিনটি রো রো ফেরিসহ মোট ১৭টি ফেরি চলাচল করলেও বাড়তি যানবাহনের কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।
এ দিকে সকাল থেকে মাওয়া-কাওরাকান্দি ও মাওয়া-মাঝিকান্দি নৌপথের লঞ্চ, ট্রলার ও স্পিডবোট ঘাটেও ছিল যাত্রীদের বেজায় ভিড়। লঞ্চমালিক, পুলিশ প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের নির্দেশ উপেক্ষা করে যাত্রীরা ধারণ ক্ষমতার বেশি হারে লঞ্চে উঠছেন। লঞ্চ সঙ্কটে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় লঞ্চ পন্টুনে অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs