সর্বশেষ সংবাদ :

স্মৃতির মিনারে লাল-সবুজের ঢল

Share Button

ccc-mayor

স্টাফ রিপোর্টার: ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৪।

কনকনে শীত, হাজারো মানুষের ভিড়- কোনো কিছুতেই থামেনি মিছিলটি। কারো হাতে লাল টুকটুকে গোলাপ ফুল, কারো হাতে হাসনা হেনা, বেলি, রজনীগন্ধা, আবার কারো হাতে লাল সবুজের পতাকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়ে ব্যানার কিংবা প্ল্যাকার্ড। সবারই গন্তব্য ছিল এক ও অভিন্ন। কেউ আগে আবার কেউ পরে তবে সকলেই গিয়ে মিশেছেন একই মোহনায়, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। যেন স্মৃতির মিনারে নেমেছিল লাল-সবুজের ঢল।

৪৩তম মহান বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে সোমবার রাত ১২টা ১ মিনিটে সিএমপির একটি চৌকষ দলের সশস্ত্র অভিবাদনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মূল আনুষ্ঠানিকতা। এরপর ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মধ্যদিয়ে শুরু হয় বিজয় দিবস উদযাপনের পালা। এরপর শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের যে পর্ব রাতে শুরু হয়েছিল সেটি চলেছে সকাল পর্যন্ত।

রাতেই পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম মনজুর আলম। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর। পরে একে একে শ্রদ্ধা জানান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, সিএমপি কমিশনার, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক।

এরপর রাজনীতিবিদদের জন্য খুলে দেয়া হয় শহীদ মিনারের ফটক। রাজনীতিকদের মধ্যে প্রথমে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে নগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে ফুল দেন। এরপর সভাপতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেনের নেতৃত্বে নগর বিএনপি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালাম, সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালাম, রেলওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও আনসারের পক্ষ থেকেও ফুল দিয়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ফায়ার সার্ভিস, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড, বন বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুষ্পস্তবক দিয়ে মহান বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা জানান।

এরপর শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হলে মানুষের বাঁধভাঙা  জোয়ার নামে।

এদিকে শহীদ মিনারকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে পুলিশ।

ফুল দিয়ে আরো শ্রদ্ধা জানায় উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ, নগর যুবলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, নগর শ্রমিকলীগ, নগর ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, ওয়ার্কার্স পার্টি, জেলা আইনজীবী সমিতি, বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদসহ শতাধিক রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs