সর্বশেষ সংবাদ :

সমুদ্র সম্পদ আহরণে অগ্রাধিকার দিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Share Button
1418320668.
স্টাফ রিপোর্টার: ১১ ডিসেম্বর, ২০১৪।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন “স্থল ভাগের সম্পদ সীমিত হওয়ার কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমরাও সমুদ্র সম্পদ আহরণকে অগ্রাধিকার দিয়েছি, ইতোমধ্যে বার্মা ও ভারতের সাথে শান্তিপূর্ণভাবে সমুদ্র সীমা নির্ধারণ করে বাংলাদেশের ভূখর প্রায় সমপরিমাণ সমুদ্র এলাকা অর্জন করেছি- এ বিশাল সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল দুপুরে পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের দূর্গাপুরে কোস্ট গার্ডের বাংলাদেশের প্রথম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সিজি বেইজ অগ্রযাত্রার কমিশনিং-এর  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত কোষ্টগার্ড সদস্যদের প্যারেড সালাম গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ  উচ্চপদস্থ সামরিক ও বে-সামরিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরো বলেন, সিজি বেইজ অগ্রযাত্রা কোষ্টগার্ডের মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সুন্দরবন এলাকায় নৌদস্যুতা দমন, মাদক ও মানব সম্পদ পাচার রোধে কোষ্টগার্ডের ভূমিকা উত্তরোত্তর বাড়ছে। নতুন নতুন দায়িত্ব পালনে সক্ষম করে তুলতে আমরা কোষ্টগার্ডকে একটি যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি। ইতিমধ্যে কোস্ট গার্ডে একটি জোন, তিনটি বেইস, ১৮ টি স্টেশন, ১০ টি আউটপোস্ট, ৫৭ টি বিভিন্ন ধরনের নৌযান, আটটি পন্টুন, ১ হাজার ২৮২ জন জনবল যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়াও ১৮ টি বিভিন্ন ধরনের নৌযান, আটটি পন্টুন নির্মাণাধীন রয়েছে। এগুলো খুব শীঘ্রই কোষ্টগার্ড বহরে সংযোজিত হবে।
কোষ্টগার্ড ঘাঁটি অগ্রযাত্রা কমিশনিং-এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে কোষ্টগার্ড আরেক ধাপ এগিয়ে যেতে সমর্থ হলো। নবনির্মিত এ প্রশিক্ষণ ঘাঁটি কোষ্টগার্ড সদস্যদের পেশাগত উৎকর্ষতা, মানসিক বিকাশ ও উন্নত মনোবল অর্জনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সমর্থ হবে। পর্যায়ক্রমে অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ সুবিধাদি বৃদ্ধির সাথে সাথে কোষ্টগার্ড সদস্যরা নিরাপদ নৌপথ, চোরাচালান দমন, আধুনিক অপারেশন পরিচালনায় পারদর্শিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। সাগর বিধৌত পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে ২ কিলোমিটার পশ্চিমে পটুয়াখালী-মির্জাগঞ্জ মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে ২৩ দশমিক ৬৮ একর জমির উপর এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী আরো ১২টি উন্নয়নমূলক কর্মকা-ের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সকালে কুয়াশা থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিনঘণ্টা পর দুপুর ২ টার দিকে প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালীতে আসেন। পরে বিকাল ৪.৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টার যোগে ঢাকার উদ্দেশে পটুয়াখালী ত্যাগ করেন।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs