সর্বশেষ সংবাদ :

করোনায় বিশ্ব এজতেমা নিয়ে অনিশ্চয়তা

Share Button

রিপোর্টার:-দৈনিক মুক্তকন্ঠ,
২০ ডিসেম্বর ২০২০। সময : ১২.১০.AM

করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ব এজতেমা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শনিবার শেষ হয়েছে তবলীগ জামাতের ২৪ ঘণ্টার পরামর্শ সভা তথা জোড় এজতেমা। আর মাত্র ১৭ দিন পর বিশ্ব এজতেমা শুরুর কথা রয়েছে। কিন্তু বিশ্ব এজতেমা আয়োজনে এখনও কোন প্রস্তুতিই শুরু করা হয়নি। এজতেমার আয়োজন করতে কম করে হলেও তিন মাস সময় লাগে।

এজতেমা আয়োজক কমিটির মুরব্বি ডাঃ কাজী সাহাবুদ্দিন দৈনিক মুক্তকন্ঠকে জানান, বিশ্ব এজতেমা আয়োজনের বিষয়ে রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, করোনাকালে ২০২১ সালের বিশ্ব এজতেমা ছোট পরিসরে নাকি বৃহৎ পরিসরে আয়োজন করা হবে তা নিয়েও চলছে চিন্তাভাবনা। শনিবার দোয়ার মাধ্যমে জোড় এজতেমা শেষ হয়। প্রতিবছর জোড় এজতেমা পাঁচদিনব্যাপী হয়ে থাকে। করোনার কারণে এবার সংক্ষিপ্ত করে ২৪ ঘণ্টায় নিয়ে আসা হয়। তবলীগ জামাতের জোবায়েরপন্থী অনুসারীরা এ জোড় এজতেমার আয়োজন করেছিল। তবলীগ জামাতে দুটি গ্রুপ রয়েছে। একটি মাওলানা সা’দপন্থী, আরেকটি মাওলানা জোবায়েরপন্থী। এদিকে গাজীপুর মহানগর মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ অঞ্চলের উপ-পুলিশ কমিশনার ইলতুৎমিশ জনকণ্ঠকে জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ২৪ ঘণ্টার জোড় এজতেমা তথা পরামর্শসভা শেষ হয়েছে। পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী মোনাজাতের পরপরই সমবেত মুসল্লিগণ এজতমা ময়দান ছেড়ে চলে গেছেন।

টঙ্গী পশ্চিম ও পূর্ব থানার ওসি শাহ আলম ও আমিনুল ইসলাম দৈনিক মুক্তকন্ঠকে জানান, করোনা মহামারীর কারণে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তবলীগ জামাতের অনুসারীরা ২৪ ঘণ্টার জন্য এজতেমা ময়দানে জোড় এজতেমা তথা পরামর্শ সভা করার অনুমতি চেয়েছিল। জোড় এজতেমায় চার হাজার তবলীগ অনুসারী মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। তবলীগ জামাতের শীর্ষ মুখপাত্র মুফতি জহির ইবনে মুসলিম জনকণ্ঠকে জানান, শুরাই নেজামের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই জোড় এজতেমায় ঢাকার কাকরাইল জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও তবলীগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরব্বি হাফেজ মাওলানা জোবায়ের আহমেদের অনুসারীর চার জেলা (ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ) থেকে চার হাজার মুসল্লি অংশ নেন। ঘোষণা রয়েছে, আগামী বছরের ৮, ৯ ও ১০ জানুয়ারি এবং ১৫, ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি বিশ্ব এজতেমা অনুষ্ঠিত হবার।

২৪ ঘণ্টার জোড় এজতেমায় মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ তবলীগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরব্বি মাওলানা ফারুক আহমেদ। বয়ান করেন মাওলানা ফাহিম আহমেদ। তার বয়ান বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা দেলোয়ার হোসেন। মোনাজাতপূর্ব হেদায়েতি বয়ান করেন পাকিস্তান মার্কাযের তবলীগ জামাতের মুরব্বি ডাঃ নওশেদ। তার বয়ান বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা আব্দুস সবুর।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs