সর্বশেষ সংবাদ :

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

Share Button
রিপোর্ট:-দৈনিক মুক্তকন্ঠ,
২৪ অক্টোবর, ২০১৮। সময়: ১১,১০,PM
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে মাশরাফি বাহিনী। আগামী ২৬ অক্টোবর শেষ ম্যাচ জিতলে জিম্বাবুয়েকে ধবলধোলাই দিতে সক্ষম হবে টাইগাররা।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বুধবার দুপুরে টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ৭ উইকেটে ২৪৬ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে ৫.৫ ওভারের খেলা বাকি থাকেতই তিন উইকেট হারিয়ে ২৫০ রান করে বাংলাদেশ।
জয়ের জন্য ২৪৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ওপেনিং জুটিতেই ১৪৮ রান তোলেন ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস। এরপর লিটন ৭৭ বলে ১২টি চার ও একটি ছক্কার মারে ৮৩ রান করে বিদায় নেন। তবে চলতে থাকে ইমরুলের মিশন। দলীয় ২১১ রানে নার্ভাস নাইনটির শিকার হন তিনি। ১১১ বল থেকে সাতটি চারের মারে ৯০ রার করে আউট হন ইমরুল। ঢাকায় সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৪৪ রান করে দলের জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি।
মাঝে ফজলে রাব্বি আউট হন শূন্য রানেই। ত্রিশে অভিষিক্ত রাব্বি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন।
দলীয় ২১১ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন হওয়ার পর বাকি কাজটা মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন শেষ করেন। মুশফিক ৪০ ও মিঠুন ২৪ রান করেন। বাংলাদেশের পতন হওয়া তিনটি উইকেটই নিয়েছেন সিকান্দার রাজা।
এর আগে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১৮ রানে হ্যামিল্টন মাসাকাদজার (১৪) উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অবশ্য ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয় তারা। এই জুটিতে ৫৪ রান করেন জুয়াও-টেলর। এরপর দলীয় ৭২ রানে কেপহাস জুয়াওকে (২০) নিজের প্রথম শিকারে পরিণত করেন মিরাজ। জুয়াও আউট হওয়ার পর টেলরের সঙ্গী হন সিন উইলিয়ামস।
দলীয় ১৪৭ রানে মাহমুদউল্লাহর বলে টেলর ৭৩ বল থেকে ৯টি চার ও একটি ছক্কার মারে ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৫ রান করে আউট হন। আর চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলীয় ১৮৮ রানে আউট হন উইলিয়ামস। দু’জন সেট ব্যাটসম্যান আউট হওয়ার পর জিম্বাবুয়ে আর বেশি দূল এগোতে পারেনি।
পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ১ রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি বঞ্চিত হন সিকান্দার রাজা। বাকিদের কেউ উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি। তাই শেষ পর্যন্ত ২৪৬ রানে থামতে হয়েছে জিম্বাবুয়েকে। ৪৫ রান খরচায় সাইফ উদ্দিন নেন তিন উইকেট। প্রথম ম্যাচে ইমরুলের সঙ্গে ১২৭ রানের জুটি গড়া সাইফ করেছিলেন হাফসেঞ্চুরি। এবার বল হাতে নৈপুণ্য দেখালেন তিনি।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs