সর্বশেষ সংবাদ :

সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়নের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

Share Button

10686733_303338723189326_2916225070501844314_n

রিপোর্টঃ-মোঃ সফিকুর রহমান সেলিম ঢাকা, ২১ নভেম্বর ২০১৪।

আজ শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্যবর্গ এবং বীরউত্তম, বীরবিক্রমসহ নির্বাচিত খেতাবপ্রাপ্তদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী যাতে গোটা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে, এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার এ বাহিনীর অধিকতর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রণীত প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আমরা ফোর্সেস গোল-২০৩০ নির্ধারণ করেছি।’

10431553_303338759855989_8319809931901857341_n

আজ শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৪ উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্য এবং বীরউত্তম, বীরবিক্রমসহ নির্বাচিত খেতাবপ্রাপ্তদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এতে স্বাগত বক্তৃতা দেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিকুল হক।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক এবং সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূইয়া, নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম ফরিদ হাবিব, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল মোহাম্মদ ইনামুল বারী ও উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

1517561_303338719855993_1021565755858307885_n

মুক্তিযুদ্ধকে বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনা হিসাবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবার দায়িত্ব হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা। বহু আত্মত্যাগ ও লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তাই সবার দায়িত্ব হচ্ছে এই মহান অর্জনকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিয়ে সমুন্নত রাখা।’

তিনি বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীর বীর সদস্যগণ ও সর্বস্তরের মানুষ পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে শরীক হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ স্বাধীন জাতি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে এবং আমরা লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা পেয়েছি।’

সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়ন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি ও দক্ষতা আরো বাড়াতে বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রম এখন আর কেবল বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নয়- বরং তা বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত হচ্ছে। তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে।’

অনুষ্ঠানে সাত বীরশ্রেষ্ঠর নিকটাত্মীয়সহ ৫৯ জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীর হাতে উপহার হিসেবে সম্মানী চেক, মোবাইল ফোন সেট ও শাল তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী ২০১৩-১৪ সালের জন্য বীরত্ব ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সশস্ত্র বাহিনীর ২৬ জন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার হাতে ‘বাহিনী পদক’ ও ‘অসামান্য সেবা পদক’ তুলে দেন। খবর: বাসস

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs