সর্বশেষ সংবাদ :

কুমিল্লার হোমনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

Share Button
রিপোর্ট:-দৈনিক মুক্তকন্ঠ,
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮। সময়: ১১,১০,PM,
কুমিল্লার হোমনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যের নামে প্রকল্প দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৪ আগস্ট উপজেলার আছাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন পাঠানের বিরুদ্ধে ২নং সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার মরিয়ম বেগম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর এ লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন পাঠান তাকে কোনো প্রকল্পের দায়িত্ব দিচ্ছে না এবং তার মাসিক সম্মানী ভাতা দিচ্ছে না, চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন পাঠান আনুষ্ঠানিক সভা না করে সচিবের মাধ্যমে রেজ্যুলেশনে স্বাক্ষর নিয়ে এ স্বাক্ষর দিয়ে কাবিখা, কাবিটা, সোলার প্যানেল স্থাপন, কর্মসৃজন প্রকল্প, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, এলজিএসপি, এডিবি, উন্নয়ন তহবিল ও রাজস্ব খাতের বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে তার পছন্দের ইউপি সদস্যদের কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে মাস্টাররোলে স্বাক্ষর নিয়ে বাকি টাকা আত্মসাত করছে। এলজিএসপি-২ প্রকল্পের অধীনে ২৩টি সেলাই মেশিন বিতরণ করার কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো মেশিন বিতরণ করা হয়নি। পরে ভুয়া মাস্টাররোল অফিসে জমা দেয়া হয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মরিয়ম বেগম বলেন, আমাকে উন্নয়নমূলক কোনো প্রকল্পের দায়িত্ব দেয় না। কিন্তু আমার নামে প্রকল্প দেখিয়ে নামে মাত্র কাজ করে আবার কোনো কোনো প্রকল্পের কাজ না করে ও অফিসের যোগসাজশে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছে চেয়ারম্যান। কিছুদিন আগে সচিব জাহাঙ্গীর আলম মাস্টাররোলে আমার স্বাক্ষর নিতে এলে জানতে পারি আমি ৪০ দিনের কর্মসূচি কাজের প্রকল্প কমিটির সেক্রেটারি, কিন্তু কোথায় কাজ হয়েছে কী কাজ হয়েছে আমি কিছুই জানি না। নোয়াগাঁও খালে ঘাটলার নির্মাণ কাজের সভাপতি হিসেবে নেমপ্লেটে আমার নাম দেখে জেনেছি আমি এ ঘটলার সভাপতি। বিষয়টি আমি জানতে পেরে ইউএনও স্যারের কাছে অভিযোগ করেছি। জানা গেছে চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন পাঠান হত্যা মামলার চার্জসিটভুক্ত আসামি। তিনি বিএনপি থেকে নমিনেশন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদেন। ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন পাঠান বলেন, তার ইউনিয়নে ট্র্যাক্স কালেকশন কম এ জন্য মেম্বারদের নিয়মিত ভাতা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে সব মেম্বারকে এক বছরের ভাতা দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মহিলা মেম্বার যে অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ইউএনও খান মো. নাজমুস শোয়েব বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজেদুল ইসলামকে এর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
সুত্রঃ যুগান্তর

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs