সর্বশেষ সংবাদ :

শেখ মুজিবুর রহমানের নামে মামলা হওয়া উচিত ছিল:-তারেক রহমান

Share Button

48964_ta

রিপোর্টঃ-মোঃ সফিকুর রহমান সেলিম
কুমিল্লা, ৭ নভেম্বর ২০১৪।

বিএনপি‘র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিকৃত ও চাপিয়ে দেয়া ইতিহাসের পরিবর্তে দলিল প্রমাণসহ  ইতিহাসের প্রকৃত সত্য জনগণের সামনে তুলে ধরায় যদি দেশদ্রোহীতার মামলা হয় তবে তা শেখ মুজিবুর রহমানের নামে হওয়া উচিত। তিনি ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারী পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরেই তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও শেখ মুজিব স্বেচ্ছায় পাকিস্তানের পাসপোর্ট গ্রহণ করেছেন। আইনের দৃষ্টিতে তিনি পাকিস্তানি নাগরিক। পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার বিষয়টির আইনগত নিষ্পত্তির জন্য শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার মামলা হওয়া জরুরি। বুধবার লন্ডনে  দ্যা অ্যাট্রিয়াম অডিটোরিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা এডভোকেট আসাদুজ্জামান, যুক্তরাজ্য যুবদলেরর আহবায়ক দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নেওয়াজ, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নাসির আহমেদ শাহীন, যুক্তরাজ্য জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন,  যুক্তরাজ্য জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের যুগ্ম আহবায়ক শরফরাজ শরফু প্রমূখ । সভায় জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের সামগ্রিক দিক তুলে ধরে তারেক রহমানের শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমীনের একটি ডকুমেন্টারী প্রদর্শিত হয়।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বা ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর জিয়াউর রহমানের কাছে পদ পদবী বা নেতৃত্বের চেয়ে দেশের স্বার্থই বড় ছিলো। স্বাধীনতার ঘোষণা না দিয়ে ২৫শে মার্চ শেখ মুজিব পাকিস্তানীদের কাছে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পনের পর নেতৃত্বশূন্য স্বাধীনতাকামী মানুষের সামনে ২৬শে মার্চ নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে লাখো মুক্তিযোদ্ধাকে সংগঠিত করে লড়াই করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেন।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর জিয়াউর রহমানের মেধা ও বিচক্ষণতায় বাংলাদেশ অরাজকতা ও বিশৃংখলতা থেকে রক্ষা পেয়েছে। সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণ তাহের- ইনুদের ষড়যন্ত্র প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি বলেন, ৭ই নভেম্বর তাহের-ইনু চক্র জনপ্রিয় সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের কাঁধে ভর করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল। জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে নিজেদের রাজনৈতিক লক্ষ্যে পৌঁছতে চেয়েছিল। কিন্তু অসম সাহসী বিচক্ষণ ও দেশপ্রেমিক জিয়াউর রহমান ইনু-তাহের চক্রের পাতা ফাঁদে পা দেননি। নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে ব্যর্থ হয়ে এরা এখন মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে চায়।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs