সর্বশেষ সংবাদ :

গোলাম আযমের মৃত্যুতে টেলিফোনে খালেদ মিশালের শোক ও সমবেদনা

Share Button

f3a0c61b4b794a488cf7b4e8fb798301_M

রিপোর্টঃ-মোঃ সফিকুর রহমান সেলিম, ২৮ অক্টোবর ২০১৪।

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির, অধ্যাপক গোলাম আযমের মৃত্যুর চার দিন পরও তার বাসভবনে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় অব্যাহত রয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তার মগবাজার কাজী অফিস লেনের বাসায় দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ কবর জিয়ারত করতে আসছেন। গত রোববার শোক বই খোলা হলে বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তা, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিক, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এতে মন্তব্যসহ স্বাক্ষর করেন।

এ ছাড়া ফিলিস্তিনি আন্দোলন হামাসের প্রধান খালেদ মিশাল টেলিফোনে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন অধ্যাপক গোলাম আযম। শনিবার বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। তার লাশ বাসা থেকে বায়তুল মোকাররমে নিয়ে যাওয়া ও পরে বাসায় নেয়ার সময় হাজার হাজার মানুষ হেঁটে লাশের গাড়ির সঙ্গী হন, যা এক বিশাল শোক মিছিলে পরিণত হয়। ওই দিন বিকেলে তাকে দাফন করার পর মানুষ কবর জিয়ারত করতে ব্যাপক ভিড় জমান। গত শনিবার বিকেলে তার চেম্বারে শোক বই খোলা হলে স্বাক্ষর করার জন্য মানুষের দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। অধ্যাপক গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আল আযমী জানান, শোক বই খোলার পর কুয়েত দূতাবাসের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, ইন্দোনেশিয়ান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি, ফিলিস্তিনি দূতাবাসের কর্মকর্তা শোক বইয়ে স্বাক্ষর ও মন্তব্য করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মুসলিম লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল হক মজুমদার ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল শোক বইয়ে স্বাক্ষর ও মন্তব্য লেখেন। জমিয়াতুল মোফাসসিরিনের সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের উপদেষ্টা, সভাপতি, দুই সহসভাপতিসহ প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধার নেতারাও শোক বইয়ে আবেগ সহকারে মরহুম এ নেতার প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা লিপিবদ্ধ করেছেন।

আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, নামাজে জানাজার মতো শোক বইয়ে স্বাক্ষর করতেও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লোক আসছেন। সকাল থেকেই বাসার সামনে দীর্ঘ লাইন পড়ে যাচ্ছে। আমরা প্রাথমিকভাবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শোক বই খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও বিভিন্ন জায়গা থেকে সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এ কারণে প্রয়োজনে সময় আরো বাড়ানো হতে পারে।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs