সর্বশেষ সংবাদ :

মালয়েশিয়া বাংলাদেশী অপহৃত, কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি

Share Button

capture-999999_39090_0.png

রিপোর্টারঃ-মোঃ সফিকুর রহমান সেলিম,
০২ অক্টোবর ২০১৪

ঢাকা:মালয়েশিয়ায় অপহৃত হয়েছেন প্রশিকার সাবেক পরিচালক (ফিল্ড অপারেশন) ফজলুল হক (৬৫)। মুক্তিপণ হিসেবে মালয়েশিয়া থেকে পরিবারের মুঠোফোনে প্রাথমিকভাবে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার স্থানীয় সময় রাতে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে কুয়ালালামপুরের উপকণ্ঠে সেপাং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে অপহৃত হন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রশিকার পরিচালক ফজলুল হক।
তিনি সাভার পৌরসভার তালবাগ মহল্লার বাসিন্দা ও ধামরাইয়ের গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের কাওয়াখোলা গ্রামের মৃত ফাইজুদ্দিনের বড় ছেলে।
অপহৃতের ছেলে মনিরুল হক মুকুলের সঙ্গে যোগাযোগ করে হলে তিনি বলেন, বুধবার রাত ৮টায় বাবার দেশে ফেরার কথা চিল। নির্ধারিত সময় আমরা গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাই। পরে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন থেকেই বাবাকে অপহরণ ও মুক্তিপণ হিসেবে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়।
বিষয়টি অপহৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে জানানো হলে এ ব্যাপারে তিনি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ডেস্কের মহাপরিচালক(ডিজি)আসুদ আহমেদ জানান,পরিবারের পক্ষ থেকে অপহৃত ফজলুল হককে উদ্ধারে প্রচেষ্টা গ্রহণের দাবি জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই আমরা বিষয়টি হাই-কমিশনকে অবহিত করি।
একটি ফোন নন্বরের সূত্র ধরে মালয়েশিয়ার গোয়েন্দারা আমাদের জানিয়েছেন, যে নম্বরটি থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিলো, তা কুয়ালালামপুরের অদূরে পুচং থেকে করা হয়েছিলো। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে অগ্রগতি জানাতে পারবো।
মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই-কমিশনার একেএম আতিকুর রহমান জানান, অপহৃতের পরিবার সার্বক্ষণিকভাবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আমরাও প্রতি মুহূর্তের অগ্রগতির খবর তাদের অবহিত করছি।
তিনি বলেন, যেসব নম্বর থেকে বাংলাদেশে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে আমরা সেসব নম্বরগুলো মালয়েশিয়ার গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দিয়েছি। আমি ধারণা করছি, কুয়ালালামপুরের উপকণ্ঠে সেপাং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকেই অপহৃত হয়েছেন ফজলুল হক। আমরা সেপাং শহরের ইন্টেলিজেন্ট পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে জানিয়েছি। তারা কাজ করছে। কিছু নম্বরে নিজেরা ফোনও করেছি। দূতাবাসের পরিচয় পেয়ে সংযোগগুলো কেটে দিচ্ছে- জানান একেএম আতিকুর রহমান।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs