সর্বশেষ সংবাদ :

কোনো সত্য বিরুদ্ধে গেলেই আ’লীগ তাকে রাজাকার বলে : তারেক রহমান

Share Button

75199_1-4

রিপোর্টারঃ-মোঃ সফিকুর রহমান সেলিম,ঢাকা
০১ অক্টোবর ২০১৪

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ইতিহাসের কোনো সত্য শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গেলেই আওয়ামী লীগ এবং তাদের অনুগতরা তাকেই রাজাকার বলে অপপ্রচার চালায়। তারা এরই মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ১১ জন সেক্টর কমান্ডারের কমপক্ষে ছয়জনকে রাজাকার অপবাদ দিয়ে ফেলেছে। তিনি বলেন, একটি বই লিখে মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকার রাজাকার হলেন আর বেয়াই খন্দকার কিংবা নুরা খন্দকার নির্দোষ। তারেক রহমান বলেন, ধীরে ধীরে ইতিহাসের সত্য বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। হুমকি ধমকি কিংবা র‌্যাবের বন্দুকের ভয় দেখিয়ে সত্য আড়াল করে রাখা যায় না।
‘বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বিশ্বনেতা শহীদ জিয়াউর রহমান : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গত সোমবার পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিনের ইয়র্ক হলে যুক্তরাজ্য বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে।
তারেক রহমান বলেন, শেখ হাসিনার কথার খুব একটা গুরুত্ব জনগণের কাছে আর নেই। তিনি বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকারের দীর্ঘ দিন মতা আঁকড়ে থাকার পরিকল্পনা কল্পনায় পরিণত হতে আর খুব বেশি সময় নেই। দেশের জনগণ তাদের সাথে নেই। বিদেশের কাছে ধরনা দিয়েও অবৈধ সরকারের বৈধতার সার্টিফিকেট আনতে ব্যর্থ হচ্ছে। বিএনপি প্রতিদিনই আওয়ামী লীগের দুরাচার অনাচার আর গণতন্ত্রহীনতার কথা তুলে ধরছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কাছে এটি আন্দোলন মনে হচ্ছে না। তাদের কাছে অন্দোলন মানে লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করা। আওয়ামী লীগ যে বিএনপির আন্দোলন টের পাচ্ছে না এটিও বিএনপির অন্দোলনেরই অংশ। যখন টের পাওয়া শুরু করবে তখন তাদের পালানোর পথ থাকবে না
সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, যারা শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল ক্ষমতার লোভে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বহীন মিডিয়া-নির্ভর সেই সব ব্যক্তিকে নিয়ে নিজেদের হীন রাজনৈতিক স্বার্থে শেখ হাসিনা এখন জিয়াউর রহমান ও তার পরিবার এবং বিএনপিকে তাদের অপপ্রচারের টার্গেট করেছে। তিনি বলেন, অপপ্রচার চালিয়েও শেখ হাসিনা শিকাগোতে জিয়াউর রহমানের নামে সড়কের নামকরণ ঠেকাতে পারেননি।
সমাবেশে তারেক রহমানের হাতে সম্প্রতি শিকাগো সিটি প্রশাসন কর্তৃক স্থাপিত অনারারি জিয়াউর রহমান ওয়ের একটি নামফলক হস্তান্তর করা হয়। নামফলক হস্তান্তর করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনর সেক্রেটারি অব স্টেটের জেসি হোয়াইট কাউন্সিলের সদস্য ও জিয়াউর রহমান ওয়ের প্রস্তাবক শাহ মোজাম্মেল নান্টু। সভায় তারেক রহমান বলেন, দেশে-বিদেশে জিয়াউর রহমানের অবদান স্বীকৃত হচ্ছে। জিয়াউর রহমানের জীবন ও কর্মের স্বীকৃতির জন্য আদালতের রায়ের প্রয়োজন নেই।
সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শাইস্তা চৌধুরী কুদ্দুস। সভায় আরো বক্তৃতা করেন, ব্রিটেন সফররত বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ মালেক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এ সালাম, তারেক রহমানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অ্যাসিসট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারি মুশফিকুল ফজল আনসারীসহ অনেকে। সভা পরিচালনা করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম কয়সর আহমেদ।
সমাবেশে তারেক রহমান প্রায় এক ঘণ্টা ২০ মিনিট বক্তৃতা করেন। বক্তৃতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা, শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ড ও পূর্বাপর পরিস্থিতি এবং দেশের সাম্প্রতিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন।   তারেক রহমান বলেন, কোনো একটি সরকারের নৈতিক ও আইনগত ভিত্তি দুর্বল হলে এবং জনসমর্র্থন না থাকলেই সরকার আইনের দোহাই দিয়ে বেআইনিভাবে সব কিছু নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। আসলে এই সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা নেই, সরকারও জনগণের আস্থার তোয়াক্কা করছে না। তাদের একমাত্র ভরসা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকে তাদের কিছু দলীয় ক্যাডার। আর যুবলীগ ছাত্রলীগের নামে সরকারের দলীয় সন্ত্রাসীবাহিনী। তিনি সম্প্রচার নীতিমালার তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন হুমকি ধমকি কিংবা হামলা-মামলা করে সরকার জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। কথায় কথায় আইনের দোহাই দিয়ে বেআইনি কাজে লিপ্ত রয়েছ। রাজপথে সরকারের অগণতান্ত্রিক কাজের প্রতিবাদ করলে এক দিকে তারা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গুলির ভয় দেখাচ্ছে, অপর দিকে অহেতুক অভিযোগে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ একটি অশুভ শক্তি। চোর খুনি বদমাশ সন্ত্রাসী ব্যাংক লুটেরা ও দুর্নীতিবাজরাই শেখ হাসিনার কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য। যিনি যত খারাপ কথা বলবেন, শেখ হাসিনার কাছে তিনি ততই  প্রিয়। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য আর নিরাপদ নন, তার কাছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়, গণতন্ত্র নিরাপদ নয়, নিরাপদ নয় বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ ।
তারেক রহমান অভিযোগ করে বলেন, হাসিনা থাকলেই বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করতে চায়। এবারো জাতিসঙ্ঘে গিয়ে তিনি সেটি করে এসেছেন। বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। তাই বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত রাখতে হলে দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে হাসিনার বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়া এখন সময়ের দাবি।
তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবের দুঃশাসনে আওয়ামী লীগের গর্ব করার কিছু নেই। বরং শেখ মুজিব আওয়ামী লীগকে সাংবিধানিকভাবেই নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। এখন শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডই আওয়ামী লীগের রাজনীতির একমাত্র পুঁজি।
তারেক রহমান বলেন, গত কয়েক মাস তিনি বেশ কয়েকটি বক্তৃতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ এবং এর পূর্বাপর ঘটনা এবং ইতিহাস বিকৃতির আড়ালে পড়ে থাকা কিছু কঠিন সত্য তুলে ধরেছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তির বিপরীতে কিছু ব্যক্তি লম্ফঝম্প করেছে। কারণ তাদের কোনো যুক্তি নেই। আবার যুক্তি দিলেও শেখ হাসিনার কাছে মুক্তি নেই।
তিনি বলেন, ইতিহাসের কোনো সত্য শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে গেলেই আওয়ামী লীগ এবং তাদের অনুগতরা তাকেই রাজাকার হিসেবে অপপ্রচার চালায়। তারা এরই মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ১১ জন সেক্টর কমান্ডারের কমপক্ষে ছয়জনকে রাজাকার অপবাদ দিয়ে ফেলেছে। তিনি বলেন, একটি বই লিখে মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকার রাজাকার আর বেয়াই খন্দকার কিংবা নুরা খন্দকার নির্দোষ। তারেক রহমান বলেন, ধীরে ধীরে ইতিহাসের সত্য বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। হুমকি ধমকি কিংবা র‌্যাবের বন্দুকের ভয় দেখিয়ে সত্য আড়াল করে রাখা যায় না।
তারেক রহমান বলেন, আওয়ামী-বাকশালী নেতা ও বুদ্ধিজীবীদের অপপ্রচার সত্ত্বেও জিয়াউর রহমান এখন দেশে-বিদেশে গণতন্ত্রমনা চিন্তাশীল মানুষের কাছে ক্রমেই আরো বেশি গ্রহণীয় ও বরণীয় হয়ে উঠছেন। কারণ জিয়াউর রহমান তার স্বল্প কর্মময় জীবনে প্রতিটি েেত্রই সফল। প্রতিটি েেত্রই তিনি প্রতিকূল পরিবেশকে জয় করেছেন সততা, সাহস, মেধা, দতা ও যোগ্যতা এবং সর্বোপরি নিখাদ দেশপ্রেমের চেতনায়। অন্য কোনো নেতা যেখানে জনগণকে ব্যবহার করেছেন মতায় যাওয়া কিংবা নিজের মতা পাকাপোক্ত করার সিঁড়ি হিসেবে, সেখানে জিয়াউর রহমান নিশ্চিত করেছেন জনগণের মতায়ন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান একটি অবিসংবাদিত নাম। ২৫ মার্চ  হঠাৎ করেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। হঠাৎ করেই তিনি মুক্তিযুদ্ধে জীবনবাজি রাখেননি। বাংলাভাষা ও তৎকালীন সময়ে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের চেতনা তিনি লালন করেছেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ‘একটি জাতির জন্ম’ শিরোনামে ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ সংখ্যায় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধের উদ্ধৃতি দেন। সেখানে জিয়াউর রহমান লিখেন, ‘স্কুল জীবন থেকেই পাকিস্তানিদের দৃষ্টিভঙ্গির অস্বচ্ছতা আমার মনকে পীড়া দিত। আমি জানতাম, অন্তর দিয়ে ওরা আমাদের ঘৃণা করে। বাঙালিদের বিরুদ্ধে একটা ঘৃণার বীজ উপ্ত করে দেওয়া হতো স্কুল ছাত্রদের শিশু মনেই। সেই স্কুল জীবন থেকেই মনে মনে আমার একটা আকাক্সাই লালিত হতো, যদি কখনো দিন আসে, তাহলে এই পাকিস্তানবাদের অস্তিত্বেই আমি আঘাত হানব।  পাকিস্তানি পশুদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরার, দুর্বারতম আকাক্সা দুর্বার হয়ে উঠত মাঝে মাঝেই। উগ্র কামনা জাগত পাকিস্তানের ভিত্তি ভূমিটাকে তছনছ করে দিতে; কিন্তু উপযুক্ত সময় আর উপযুক্ত স্থানের অপোয় দমন করতাম সেই আকাক্সাকে’। এই কারণেই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ শেখ মুজিব ভুল করলেও জিয়াউর রহমান ভুল করেননি। পাকিস্তানিদের পরাস্ত করার মোক্ষম সুযোগ পেয়েই তিনি চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দেন। নিজের হাতে লিখে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ঝাঁপিয়ে পড়েন স্বাধীনতাযুদ্ধে।
তারেক রহমান বলেন, বিচারপতি সায়েমের পদত্যাগের পর ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। সেখানেও তিনি সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই  দেশ নিয়ে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘোচাতে সক্ষম হন। বর্তমানে যে দু’টি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে,  গার্মেন্ট শিল্প ও জনশক্তি রফতানি, এই দুই খাতেরই সূচনাও জিয়ার রহমানের সময় থেকেই।  তিনি বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অনেক গণমুখী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ শুরু করে উন্নয়নের পথে নিরন্তর যাত্রা। তারেক রহমান বলেন, শহীদ জিয়ার সাফল্যের সাথে কুলিয়ে উঠতে না পেরে ষড়যন্ত্রকারীরা এখন জিয়ার ইমেজ বিনষ্টের চক্রান্তে লিপ্ত।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়। সেই সময় আওয়ামী লীগ ছিল বিলুপ্ত। আর বিএনপির জন্মই হয়নি। শেখ মুজিব হত্যাকোণ্ডের পর তার মন্ত্রিসভার সদস্য বাকশাল নেতা খোন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে  সরকার গঠিত হয়। এরপর ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ মোশাররফের ভাই ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সংঘটিত এক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন মোশতাক আহমদ।  মোশতাককে সরিয়ে খালেদ মোশাররফ রাষ্ট্রপতি বানান শেখ মুজিবের নিয়োগ করা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি সায়েমকে। একই সাথে মোশতাকের জারি করা সামরিক শাসনের আওতায় ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকও নিযুক্ত হন বিচারপতি সায়েম। এর আগে ৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করেন খালেদ মোশাররফ। এরপর খালেদ নিজেই নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন। কিন্তু খালেদের ক্ষমতা ভোগ করার সৌভাগ্য হয়নি। তিনিও নিহত হন।
তারেক রহমান বলেন, কেন কিভাবে খালেদ মোশাররফ নিহত হয়েছিলেন এটি সেই সময়কার জঙ্গি নেতা ইনুকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। তিনি বলেন, শেখ মুজিব সম্পর্কে তৎকালীন জঙ্গি নেতা বর্তমানে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এক সাাৎকারে বলছিলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অম ছিল, সে বিরোধী আন্দোলনে ভীত হয়ে পড়তো।  মানুষের ওপর সে এক রকম জোরজবরদস্তি চালাচ্ছিল, তার মধ্যে সমালোচনা বা বিরোধিতা সহ্য করার শক্তি ছিল না।’
 http://dailymuktokontho.com

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs