কুমিল্লার হোমনায় এক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মামলার আসামী গ্রেফতার

Share Button

2

রিপোর্টঃ-মোঃ সফিকুর রহমান সেলিম
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর ২০১৪।

কুমিল্লার হোমনায় রফিকুল ইসলাম(৪০) নামের অস্ত্রধারী এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে হোমনা থানা পুলিশের চৌকশ ওসি তদন্ত স্বপন মজুমদারের নেতৃত্বে এএসআই মোঃ আশরাফ, এএসআই মোঃ ফারুকের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রাম থেকে ওই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। সে ওই গ্রামের মৃত আলী হোসেন মাষ্টারের বখাটে ছেলে।
এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ছয়ফুল্লাকান্দি মুন্সির হাটে এক চুরির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে শহিদ পল্লি চিকিৎসক মোঃ শহিদ মিয়ার ছেলে মোঃ আশিকুর রহমানের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে রফিকুল তার কোমড়ে থাকা অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে আশিকুর ও রহমানকে (২৯)কে গুলি করে।
এঘটনায় আশিকুর রহমান নিজে বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামী করে হোমনা থানায় মামলা দায়ের করে।
গ্রেফতার কৃত রফিকুল ইসলাম উক্ত মামলার ১নং আসামী। অন্য দুই আসামী হচ্ছে, একই গ্রামের মোঃ মন্দিরের ছেলে উজ্জল (৩২) ও সফিকুল ইসলাম (৩৫)।
আসামী দ্বয় পলাতক রয়েছে ।
এ মামলার বাদী আশিক সাংবাদিককে বলেন, ঘটনার আগের দিন রাতে এক বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনা কাউকে না বলার জন্য আমাকে চাপসৃষ্টি করে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রফিকের নির্দেশে উজ্জল তার সঙ্গে থাকা পিস্তল দিয়ে আমাকে গুলি করে। আমি সরে গিয়ে প্রানে বেচে যাই। এখন রফিক গ্রেফতার হওয়ায় আমি ও আমার পরিবার আতংঙ্কে রয়েছি। তাদের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে।ওই সন্ত্রাসী গ্রুপের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তারা যে কোন সময় আমার বড় ক্ষতি করতে পারে। এ ব্যাপারে আসামীদের সাথে কথা বলতে না পারলেও এলাকাবাসী জানায়, মন্দিরের ছেলে উজ্জল আলী হোসেন মাষাটারের ছেলে রফিক ও সফিকের সাথে বিভিন্ন সময় আশিকুলকে দেখা যায়। ওরা চুরির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ হওয়াতেই মারা মারীর ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে হোমনা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান সিকদার পিপিএম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।
মামলার তদন্ত অফিসার এসআই মোঃ জাহাঙ্গির হোসেন জানান, তুচ্ছ ঘটনায় অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার এটা কেবল পেশাদার সন্ত্রাসীরাই করে থাকে। আমরা মামলার এক আসামীকে গ্রেফতার করেছি। বাকিদেরও গ্রেফতারের । অভিযান অব্যহত রয়েছে।