সর্বশেষ সংবাদ :

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক খালাস

Share Button

1111111111111111111111111111111111
বৃহস্পতিবার বিকেলে সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম মামলায় এ রায় দেন। এটি সাইবার ট্রাইব্যুনালের পঞ্চম রায়।খালাসপ্রাপ্ত শিক্ষকের নাম গাজী বেলাল উদ্দিন আহম্মেদ (৩৫)। তার বাড়ি খুলনার রূপসা থানার খান মোহাম্মদ গ্রামে।

তিনি রূপসা থানার বেলফুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

এর আগে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গান রচনা করে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর তন্ময় মল্লিক নামে এক ব্যক্তিকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয় সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল।

রায় ঘোষণার সময় বেলাল আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বেলালের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘সন্দেহাতীতভাবে’ প্রমাণিত হয়নি মর্মে আসামি খালাসের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

রায়ের বিবরণ থেকে জানা যায়, গত বছর ২২ এপ্রিল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপসা থানা পুলিশ বেলালকে আটক ও তার মোবাইল ফোনটি জব্দ করে।

এ সময় তার মোবাইল ফোনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, বাংলাদেশের তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, অর্থ উপদেষ্টা এম মশিউর রহমান, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মিথ্যা অশ্লীল কার্টুন ও কুরুচিপূর্ণ ছবি পাওয়া যায়।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, বেলাল সে সময় নিজ মোবাইল ফোনে রূপসা থানার আইসগাতী গ্রামের বেলফুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ইলেকট্রনিকস ফরমে বিকৃতি করে অশ্লীল ও ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন আকারে মিথ্যা তথ্য সম্বলিত গানের মাধ্যমে জনসাধারণকে প্রর্দশন করছিলেন।

এ ঘটনায় রূপসা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন ৫৭ (১) (২) ও পর্নোগ্রাফি আইনের ৮ (২) (৩) (৫) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাটি তদন্ত করে গত বছরের ১৫ জুলাই রূপসা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ মো. জিয়াউল ইসলাম তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার তদন্ত চলাকালে রাখি সুলতানা ও রেশমা খাতুন নামে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের মামলার চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল বেলালের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এ রায়ের আগে ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন উক্ত আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম শামীম।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs