সর্বশেষ সংবাদ :

ওয়ানডের অধিনায়কত্বে ফিরলেন মাশরাফি

Share Button

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্বে ফিরেছেন দেশসেরা পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা। ধারাবাহিক ব্যর্থতার মধ্যে মুশফিকুর রহিমের জায়গায় তাকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে এই দায়িত্ব দেওয়া হলো।

মঙ্গলবার বিসিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। মাশরাফির ডেপুটি করা হয়েছে ওপেনার তামিম ইকবালকে। অবশ্য আগেই এবারের এশিয়াডে তাকে অধিনায়ক করা হয়েছে।
mashrafi
তবে একই সিরিজে টেস্ট দলের অধিনায়ক করা হয়েছে মুশফিকুর রহিমকে। তিনি এতদিন তিন ফরমেটের দলেরই অধিনায়ক ছিলেন। বিয়ের কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে হয়তো খেলবেন না মুশফিক।

এর আগে আলাদা ফরমেটে আলাদা অধিনায়ক রাখার বিষয়টি মঙ্গলবারের বিবিসির বোর্ড সভায় পরিচালকরা অনুমোদন করেন।

টানা ব্যর্থতার পরে বিসিবি এই সিদ্ধান্ত নিলো। টেস্ট খেলুড়ে অনেক দলেই তিন ফরম্যাটে তিন অধিনায়ক। এতে সাফল্যের পাল্লাটাই ভারী। অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ডের মতো দল তিন ফরম্যাটে তিন অধিনায়ক দিয়েই টিম চালাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ভারত। মহেন্দ্র সিং ধোনি বেশ দাপটের সঙ্গেই টিম ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। ধোনির হাত ধরে সফলতাও কম আসেনি। ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জয় করে ভারত।

মুশফিকও এতদিন এমনভাবে টাইগারের নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। তবে চলতি বছরে ওয়ানডে, টেস্ট কিংবা টি-টোয়েন্টি কোনোটিতেই সাফল্যের মুখ দেখেনি বাংলাদেশ। হারতে হয়েছে দুর্বল আফগানিস্তান ও হংকংয়ের বিপক্ষেও।

ওয়ানডেতে মুশফিকের অধিনায়কত্বে ৩৭টি ম্যাচে মাঠে নামে বাংলাদেশ, যার ১১টিতে জয় পায় আর হারতে হয় ২৪টি ম্যাচে। ফলাফল আসেনি দুই ম্যাচে।

অন্যদিকে, ১৬টি টেস্টে ১০টি পরাজয়ের বিপরীতে জয় পায় মাত্র একটিতে। আর ড্র হয় পাঁচটি। শর্ট ফরম্যাটের টি-টোয়েন্টিতে মুশফিকের নেতৃত্বে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ। ২৩টি ম্যাচে মুশফিকের ঝুলিতে আছে আটটি জয়। ১৪টি পরাজয়।

মাশরাফিকে অধিনায়ক করার বিষয়ে এর আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, ‘আমরা ওয়ানডে ও টেস্টের জন্য পৃথক অধিনায়কের কথা চিন্তা করছি। টেস্ট ও ওয়ানডে যেহেতু আমরা ভাগ করে ফেলছি, তাহলে একটা তো তার (মাশরাফি) হাতে ছেড়ে দিতেই হবে।’

২০০৯ সালে মাশরাফি ইনজুরিতে পড়ায় সাকিব আল হাসান অধিনায়কের দায়িত্ব পান। এরপর দুই বছর বাংলাদেশ দলকে বেশ ভালোভাবেই নেতৃত্ব দেন তিনি। কিন্তু ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে ড্রেসিং রুমে ঝামেলায় জড়ালে সাকিবকে অধিনায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এরপর টাইগার দলের দায়িত্ব পান মুশফিকুর রহিম।

Comments are closed.

Scroll To Top
Bangladesh Affairs