রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি একান্তই জয়ের: এএনআইকে প্রধানমন্ত্রী

Share Button

রিপোর্টার:-দৈনিক মুক্তকন্ঠ,
০৪ সেপ্টেম্বর. ২০২২। সময : ১০ ,০০PM

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শ অনুযায়ী সরকার বিভিন্ন ডিজিটাল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে তার রাজনীতিতে যোগ দেওয়া না দেওয়ার সিদ্ধান্তটি একান্তই জয়ের এবং দেশের জনগণের ওপর নির্ভর করছে। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদান প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘জয় একজন পূর্ণবয়স্ক, এ সিদ্ধান্ত ওর ওপর নির্ভর করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জয় দেশের জন্য কাজ করছে। যেমন আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ, এত সব স্যাটেলাইট, সাবমেরিন কেব্‌ল বা কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মতো এত সব ডিজিটাল ব্যবস্থা তার পরামর্শেই নেওয়া হয়েছে। আপনারা জানেন, ও আমাকে সহযোগিতা করছে। তবে ও কখনোই দল বা মন্ত্রণালয়ে কোনো পদ পাওয়ার কথা ভাবেনি।

এক সমাবেশে জয়কে দলীয় একটি পদে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য কর্মীদের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি উঠেছিল বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। ওই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমাদের দলীয় সম্মেলনেও তার জন্য জোরালো দাবি উঠেছিল। তখন আমি ওকে বললাম, মাইক্রোফোনের কাছে যাও এবং বলো তুমি কী চাও। ও তা–ই করল। বলল, “আমি এ মুহূর্তে দলে কোনো অবস্থান চাই না। বরং যারা এখানে কাজ করছেন, তাদের এ পদ পাওয়া উচিত। আমি কেন একটা পদ দখল করে রাখব? আমি আমার মায়ের সঙ্গে আছি, দেশের জন্য কাজ করছি ও তাকে সহযোগিতা করছি। আমি তা করে যাব।” এভাবেই সে ভাবে।

এএনআইয়ের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন কি না, কর্মীদের চাওয়ার সঙ্গে জয়ের সায় দেওয়া উচিত? জবাবে তিনি বলেন, এটি জনগণের ওপর নির্ভর করছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির বিষয়টি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ভারত সফর করবেন। তার ভ্রমণসূচি অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নয়াদিল্লি পৌঁছাবেন তিনি। ৬ সেপ্টেম্বর তার সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। একই দিন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

এই সফরের প্রাক্কালে ভারতীয় গণমাধ্যম এএনআই শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায়। ঢাকায় এসে এই সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এএনআইয়ের সম্পাদক স্মিতা প্রকাশ।